bn Bengali
bn Bengalien Englishxh Xhosa
আন্তর্জাতিক

চীনে উইগুরদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চলছে: হাউস অব কমন্স

[ad_1]

যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্স প্রথমবারের মতো ঘোষণা করেছে, উত্তর-পশ্চিম চীনে উইগুর এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চলছে।

জিনজিয়াং অঞ্চলের শিবিরগুলোতে দশ লাখের বেশি মানুষকে আটক রাখা হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

সংসদ সদস্যদের অনুমোদিত এ প্রস্তাবটি যুক্তরাজ্যকে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করে না। কিন্তু এটা সংসদে চীনা সরকারের প্রতি ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের লক্ষণ।

প্রতিক্রিয়ায় চীন বলেছে, যুক্তরাজ্যের উচিত অবিলম্বে তাদের ভুল সংশোধন করা।  

টোরি স্যার আইইন ডানকান স্মিথ এই ভোটকে ‘একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে ঘোষণা করেন, যা যুক্তরাজ্যের সংসদকে হল্যান্ড, কানাডা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে।

স্যার আইইন যুক্তরাজ্যের পাঁচ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে একজন, ‘মিথ্যা ও অপপ্রচার’ চালানোর অভিযোগ যার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চীন।

এই বিতর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চীনের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া আরেক সংসদ সদস্য নুস ঘানি বলেন, গণহত্যার অর্থ একটি জাতীয়, জাতিগত, জাতিগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ‘সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস’ করা।

তিনি বলেন, ‘গণহত্যার পাঁচটি মানদণ্ডই জিনজিয়াংয়ে সংঘটিত বলে প্রমাণিত। ’

মিস ঘানি বলেন, বন্দীরা ‘নির্মম নির্যাতন পদ্ধতির শিকার, যার মধ্যে রয়েছে ধাতব দণ্ড দিয়ে মারধর, বৈদ্যুতিক শক এবং চাবুক মারা।

তিনি আরও বলেন, উইগুর অঞ্চলের নারীদের শরীরে জন্ম নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র লাগানো হচ্ছে। এই অপব্যবহার চীনা সরকারের নিজস্ব তথ্য দ্বারা প্রমাণিত। ২০১৪ সালে জিনজিয়াংয়ে নারীদের শরীরে দুই লাখের বেশি জন্ম নিয়ন্ত্রণ ডিভাইস ঢোকানো হয়েছিল। ২০১৮ সালের মধ্যে এটি ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।  

এক বিবৃতিতে যুক্তরাজ্যে চীনা দূতাবাস বলেছে, জিনজিয়াংয়ে ‘গণহত্যা’ হচ্ছে এমন মুষ্টিমেয় কয়েকজন ব্রিটিশ এমপির অযাচিত অভিযোগ শতাব্দীর সবচেয়ে অযৌক্তিক মিথ্যা, চীনা জনগণের প্রতি অপমান এবং আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।  

চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের স্পষ্ট হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতাও করা হয়।

লেবারের ছায়া পররাষ্ট্র দপ্তরের মন্ত্রী স্টিফেন কিনোক বলেছেন, দলটি এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে যুক্তি দেখিয়েছে যে ‘গণহত্যা কখনই উদাসীনতা বা নিষ্ক্রিয়তার সাথে মোকাবিলা করা যায় না’।

তবে সরকার এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বলেছে, একটি ঘটনাকে গণহত্যা হিসেবে বিবেচনা করা দক্ষ জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক আদালতের বিষয়।

সরকারি বিরোধিতা সত্ত্বেও মন্ত্রীরা এর বিরুদ্ধে ভোট না দেওয়ায় প্রস্তাবটি পাস হয়।

পররাষ্ট্র দপ্তরের মন্ত্রী নাইজেল অ্যাডামস জোর দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাজ্য জাতিসংঘের মাধ্যমে বেইজিংয়ের ওপর ‘চাপ বাড়াচ্ছে’।

এ বছরের শুরুতে কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে চীনা কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

চীন গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং যুক্তি দেখিয়েছে, শিবিরগুলি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি হাতিয়ার। সূত্র: বিবিসি

বাংলাদেশ সময়: ১৯৪৩ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৬, ২০২১
নিউজ ডেস্ক 



[ad_2]
Source by [author_name]

Mark Abrar

23 years old Bangladeshi news publisher. owner of teamdisobey.com. Do not copy my content without my valid written permission. E-mail :- clonecdi0@gmail.com

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
error: Khankirchwlw ki shawwa copy chudaiba?