bn Bengali
bn Bengalien Englishxh Xhosa
দেশজুড়ে

জলবায়ু সম্মেলনের প্রথম দিনে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কমানোর  উপরে জোর দেন 

[ad_1]

হোয়াইট হাউজের উদ্যোগে আজ থেকে দু’দিনব্যাপী ‘লীডার্স সামিট অন ক্লাইমেট’ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়। জলবায়ু শীর্ষ সন্মেলনে ভার্চ্যুয়ালী যোগ দিয়েছেন বিশ্বের ৪০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতে সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

উদ্বোধনী ভাষণে ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস বলেন, “আমি আপনাদের অনেকের সঙ্গে জলবায়ু সংকট নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা পানির সংকট সম্পর্কে জেনেছি, আমরা এও জেনেছি যে সফলতা অর্জনের জন্য আমাদের পরিশোধিত প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব কতটা। তিনি আরও বলেন, জো বাইডেন হচ্ছেন আমাদের যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের প্রথম সদস্য যিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করছেন এবং তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চুক্তিতে যোগ দিচ্ছে।”

জো বাইডেন তাঁর স্বাগতিক ভাষণে ক্লিন টেকনোল্যাজি বা পরিশোধিত প্রযুক্তি ব্যবহারের উপরে গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, বিজ্ঞান নিঃভুল, বিজ্ঞান অস্বীকার্য বিষয় নয়। আমাদের সবাইকে—যারা বিশ্বের বৃহৎ অর্থনৈতিক দেশ হিসেবে পরিচিত তাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে এবং পরিশোধিত প্রযুক্তির উপরে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আর তা করতে হবে তাদের নিজেদের জনগণের স্বার্থে। তিনি বলেন, বিজ্ঞান থেকে আমরা জেনেছি,সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনই। এই দশকেই জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ পরিণতির বিরুদ্ধে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমাদের উষ্ণায়নের মাত্রা ১দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নীচে রাখা নিশ্চিত করতে হবে।

জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব তাঁর বক্তব্যে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মারাত্মক প্রভাব প্রসঙ্গে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যে গ্রীন হাউজ গ্যাস ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০-৫২ শতাংশ কমানোর বিষয়ে যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সে জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি উষ্ণায়নের মারাত্মক প্রভাব প্রসঙ্গে বলেন, “বৈশ্বিক তাপমাত্রা ইতিমধ্যে ১দশমিক ২ডিগ্রী সেলসিয়াসে পৌঁছিয়েছে।”

এই শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, তাঁর দেশ আগামী কয়েক বছর ধরে কয়লার ব্যবহার কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ২০২৬-২০৩০ সালে ক্রমশই জীবাশ্ম জ্বালানি কমিয়ে আনবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন কোন লক্ষ্যের প্রতিশ্রুতি দেননি তবে “২০৩০ সালের মধ্যে পরিশোধিত জ্বালানি শক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার কথা বলেছেন যাতে করে বিনিয়োগকে গতিশীল করা যায়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা যুক্তরাষ্ট্র যে প্যারিস চুক্তিতে পুনরায় ফিরে যাচ্ছে তার প্রশংসা করে বলেন, “বাংলাদেশ এই উদ্যোগের প্রশংসা করে এবং যুক্তরাষ্ট্র যে আন্তর্জাতিক সমাজের সঙ্গে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে তারও সাধুবাদ জানান।” তিনি বলেন, “প্রতিবছর আমরা গড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার যা আমাদের জিডিপির প্রায় ২.৫ শতাংশ ব্যয় করি আমাদের জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব রোধে এবং এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।”

শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বের অনেক নেতাই ভাষণ দেন যাঁদের মধ্যে ছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, জার্মান চান্সালার আঙ্গেলা মার্কেল এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রঁসহ আরও অনেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিল্ভানিয়া রাজ্যের লক হেভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ব বিভাগের অধ্যাপক ডঃ মোহাম্মদ খালেকুজ্জান এই সম্মেলনে মানুষের প্রত্যাশা কি এবং কার্বন নিঃস্মরণ কমানো কেন প্রয়োজন এবং কিভাবে সম্ভব সে বিষয়ে আলোকপাত করেন।

বিস্তারিত প্রতিবেদনটি শোনার জন্য অডিওতে চাপ দিন।

[ad_2]

Mark Abrar

23 years old Bangladeshi news publisher. owner of teamdisobey.com. Do not copy my content without my valid written permission. E-mail :- clonecdi0@gmail.com

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
error: Khankirchwlw ki shawwa copy chudaiba?